কনসালটেন্ট নুরুল আমীন তালুকদারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক সংবাদ প্রকাশ, কর্তৃপক্ষ কিংকর্তব্যবিমুড়
অনুসন্ধানী প্রতিবেদক
আর ইউ টি ডিপিতে অনিয়ম, নারীপ্রেমে বেপরোয়া কনসালটেন্ট নূরুল আমিন তালুকদার, শিরোনামে
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর আওতাধীন “আরবান রেজিলিয়েন্ট টাউন ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট” বা সংক্ষেপে আর ইউ টি ডিপি (RUTDP) নামের বিশাল এই প্রকল্পে একের পর এক অনিয়ম আর বিতর্কে জড়াচ্ছে কর্মকর্তারা অভিযোগ সম্পর্কিত সংবাদ প্রকাশের পর এল জি ই ডি জুড়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। এলজিইডি সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এলজিইডি জুড়ে বিব্রতকর আলোচনা কনসালটেন্ট নুরুল আমীন তালুকদার এক বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন বলে জানা গেছে। অনেকের মতে ৭৭ বছরের বৃদ্ধ ভদ্রলোক কে নিয়ে এমন বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের আগে আরো যাচাই-বাছাই করার দরকার ছিল।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মকর্তা বলেন, এলজিইডিতে গ্রুপিং চলছে, কে কাকে, কিভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা যায় তার ফন্দি আঁটে। সুযোগ পেলেই মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে গণমাধ্যম কর্মীকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। নুরুল আমীন তালুকদারের নিউজটি ঠিক এমন ই বলে তিনি প্রতিবেদককে জানান৷
প্রসঙ্গত প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে সরকারি অর্থে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে শতাধিক কর্মকর্তা, কনসালটেন্ট ও ফার্ম। কিন্তু প্রকল্পের কর্মকাণ্ডের চেয়ে বেশি আলোচনায় এখন প্রকল্পের এক শীর্ষ কনসালটেন্ট নূরুল আমিন তালুকদার বিষয়ক একটি সংবাদ জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ হয়।
কর্মশালাগুলোতে তিনি প্রায়ই সুন্দরী নারী সহকর্মীদের নিয়ে সফর করেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন আরবান প্ল্যানার জোবায়দা পারভীন, আর্কিটেক্ট আজমিরা ও ফারহানা ইসলাম, জেন্ডার স্পেশালিস্ট সাজেদা বেগমসহ আরও কয়েকজন নারী কর্মকর্তা। স্থানীয় প্রকৌশলীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কর্মশালার চেয়ে বেশি সময় কাটে তার “বিশেষ অতিথিদের” সঙ্গে আলাপ-আড্ডায়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নুরুল আমীন তালুকদার প্রতিবেদককে বলেন, অফিসিয়াল কাজে যেখানে যার প্রয়োজন সেখানে তাকেই ডাকা হয়, তাছাড়া সরকার যদি নারী নিয়োগ করে থাকেন সেখানে আমি পুরুষ বানাব কি করে৷
তার পরিবার বর্তমানে আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছে, আর ঢাকায় তার নিজস্ব বাড়িও এ ব্যাপারে তিনি বলেন সারাজীবনের চাকুরির টাকা দিয়ে একটি মাত্র ফ্ল্যাট কিনেছি।তাছাড়া আমার বড় মেয়ে আমেরিকা স্হায়ী ভাবে বসবাস করছে।সে নাগরিকত্ব পেয়েছে। কিন্তু গণমাধ্যমে তা অতিরঞ্জিত করে লিখেছেন।