বান্দরবানের রুমায় বিএনপির প্রার্থী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরীর নির্বাচনী প্রচারণা: পাহাড়ি- বাঙ্গালী ভোটারদের ব্যাপক সাড়া
নিজস্ব প্রতিবেদক: বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি জনপদ রুমা উপজেলা অন্যতম। যোগাযোগ ব্যবস্থা কঠিন হলেও থেমে নেই নির্বাচনী উত্তাপ। বান্দরবান-৩০০ আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এ দূর্গম উপজেলার পাহাড় ঝিড়ি ঝর্ণা বেষ্টিত পাড়ায় পাড়ায় চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনী প্রচারণায়।
নির্বাচনী প্রচারণায় ভোটারদের কাছে তিনি পৌঁছে যান পাহাড়ি গ্রামগুলোতে। স্থানীয় গ্রামবাসীর সঙ্গে প্রার্থীর করমর্দন, শোনেন তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা আর সমস্যার কথা।
রুমায় পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ পাড়ি দিয়ে পৌঁছান স্থানীয় জনগণ, সভাস্থলে ভিড় জমায় প্রচারণার ব্যানার- ফেস্টুন নিয়ে ।
পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রদায়ের সহাবস্থানের বার্তা নিয়ে গ্রাম থেকে গ্রামে যাচ্ছেন বিএনপির এই প্রার্থী সাচিং প্রু জেরি। স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময়, গণসংযোগ আর মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে ভোটারদের কাছে মন জয় করার চেষ্টা করছেন তিনি।
পাহাড়ে নারী-পুরুষদের সঙ্গে কথা বলছেন বিএনপির মনোনীত এ প্রার্থী।
বিএনপি প্রার্থী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী বাংলাদেশ, জনগণ ও বিএনপি’র জন্য অমূল্য সম্পদ। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে পরিকল্পনা নিয়ে দেশে এসেছেন। বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে সে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামীতে সুন্দর বাংলাদেশ জনগণকে উপহার দিতে পারবেন। রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী রুমাবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, পাহাড়ি আর বাঙালি—আমরা সবাই এই অঞ্চলের মানুষ। উন্নয়ন, নিরাপত্তা আর ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতেই আমি নির্বাচনে এসেছি। কারণ দুর্গম এলাকার মানুষের কষ্ট আমি জানি এবং বুঝি।
স্থানীয় ভোটারদের প্রত্যাশাও এবার বেশ স্পষ্ট। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করে যোগাযোগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় উন্নয়নের আশ্বাস চান পাহাড়ি-বাঙালি উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ।
আমাদের এলাকায় রাস্তাঘাট আর চিকিৎসার সমস্যা অনেক। যিনি আমাদের কথা শুনবেন, তাকেই ভোট দেব।
সোমবার (২৬ জানুয়ারী) সকাল থেকে দিনব্যাপী চলে দৃর্গম রুমায় এ নির্বাচনী প্রচারনা।
এসময় দলের নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন এলাকার সাধারণ জনগণ এ নির্বাচনী প্রচারনায় অংশ নেন।
দুর্গমতা আর সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বান্দরবানের রুমায় চলবে নির্বাচনী লড়াই। পাহাড়ি-বাঙালি ভোটারদের সমর্থন কতটা আদায় করতে পারেন প্রার্থীরা—সেদিকেই এখন সবার নজর।

