বান্দরবানে বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগে বিক্ষোভ
নিজস্ব সংবাদদাতা: বান্দরবানে বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তরের অভিযোগ তুলে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেছে। পরে বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অবস্থান নেয় বিক্ষোভকারীরা।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় বান্দরবান পৌরসভার ৩নং থানচি স্টেশন এলাকার হোটেল ‘ডি-মোর’ সামনে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে প্রদর্শন কালে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মো.মজিবর রহমান বলেন, “একটি চক্র ভারতের কিছু অঙ্গরাজ্য ও বাংলাদেশের কুমিল্লা, ফেনী, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার এলাকা নিয়ে একটি খ্রিষ্টান রাষ্ট্র গঠনের ষড়যন্ত্র করছে। তাদের অংশ হিসেবে হোটেল ডি-মোরে অবস্থান করা আমেরিকা ও কোরিয়ার নাগরিকরা স্থানীয় পাহাড়িদের মোটা অংকের টাকা দিয়ে ধর্মান্তরিত করাচ্ছে, যা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও সমাজে বড় ধরনের ক্ষতি করছে বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
কাজী মো. মজিবর রহমান আরও দাবি করেন, “গোয়েন্দা সংস্থা, প্রশাসন ও জেলা প্রশাসক কীভাবে এ ধরনের বিদেশী নাগরিকদের বান্দরবানে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছেন, এ বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া জরুরী” তিনি পাশাপাশি ভারতের বিশেষ বাহিনী, মোসাদ ও সিআইএ’র কথা উল্লেখ করে বলেন, এই পরিকল্পনা রোধ করা না হলে দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে তিন পার্বত্য জেলা অচল করে দেওয়া হবে।
পরে বিক্ষোভকারীরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করে ঘটনার দ্রুত তদন্ত, অভিযুক্তদের শনাক্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানান।
হোটেল ডিমোর এর ম্যানেজার হ্যাপী মারমা জানান গত রবিবার হোটেলে ১২বিদেশী নাগরিক চেক ইন করেন সোমবার হোটেল কনফারেন্স রুমে একটি সেমিনার করেন, বিদেশীরা হোটেল কতৃপক্ষকে সেমিনার করার জন্য প্রশাসনের অনুমতি ছিল বলে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করে জানান সকল বিদেশী নাগরিক যেভাবে হোটেলে চেক ইন করেন সেভাবেই তারা অবস্থান নিয়েছেন এর চেয় বেশী কিছু জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল করিম বিক্ষোবের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিদেশী নাগরিকদের গতানুগতিক ভাবে ভ্রমনের অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। তবে সভা বা সেমিনারের জন্য তাদের কোন প্রকার অনুমোদন দেয়া হয় নি।বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

