তিন ঘন্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পিতার জানাজায় আওয়ামী লীগের কর্মী,
সরাইল উপজেলা প্রতিনিধি,
আজ পবিত্র মাহেরমজানের পবিত্র ঈদুল ফিতর দিনে ৩ ঘন্টা জন্য কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পিতার জানাজায় উপস্থিত ছিলেন সরাইলের আওয়ামী লীগের এক জন কর্মী।
পবিত্র মাহেরমজানের একটি পবিত্র ঈদ উল ফিতরের দিনে মৃত্যু বরণ করেন সরাইল উপজেলার আওয়ামী লীগের কর্মী চয়ন ঠাকুর এর পিতা জাহাঙ্গীর ঠাকুর।
সরজমিনে গিয়ে জানতে পারি এলাকার সাধারণ মানুষের বলেন , গত কয়েক মাস ধরে কারাগারের অন্ধকারেই দিন কাটছিল পিতা-মাতার একমাত্র অবলম্বন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সরাইল উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক চয়ন ঠাকুর। অথচ পরিচয়ে তিনি শুধু আওয়ামী লীগের একজন রাজনৈতিক কর্মী নন, মানুষের পাশে দাঁড়ানো এক সহৃদয় বান মানুষ, যাকে ভালোবাসে এলাকার দল-মত নির্বিশেষে সবাই।
আজ পবিত্র মাহেরমজানের খুশির ঈদ উল ফিতরের দিনে হঠাৎ করেই রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে আজ ২১ মার্চ সকালে ১০ টা ১৫ মিনিটে আসে নির্মম এক খবর, চয়ন ঠাকুরের পিতা জাহাঙ্গীর ঠাকুর আর দুনিয়াতে নেই!!
পিতার মৃত্যুর খবর শুনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগার থেকে মাত্র ৩ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্ত হয়ে তিনি ছুটে এলেন তার নিজ গ্রাম সরাইল উপজেলার বড় দেওয়ানপাড়া জীবিত বাবার কাছে নয়, নিথর লাশের কাছে।
নিজের বাবার লাশ কাঁধে তুলে যখন শেষ বিদায় জানালেন, তখন সেই কাঁধে শুধু লাশ ছিল না, ছিল হাজারো না বলা কথা, অপূর্ণ ভালোবাসা আর জীবনের সবচেয়ে বড় আফসোস।
জানাজা শেষে, মাটির বুকে বাবাকে শুইয়ে দিয়ে আবারও ফিরে যেতে হলো কারাগারের অন্ধকারে…
মায়ের পাশে যে ছেলের ঘরে থাকার কথা ছিল, সে আজ শোক নিয়েই ফিরে গেল আবার ও বন্দিত্বে!
আইন হয়তো একদিন তাকে দ্রুতই মুক্তি দেবে!
কিন্তু চয়ন ঠাকুরের বাবার শেষ সময়ে কাছে ন্থাকার কথা ছিলো কিন্তু থাকতে পারি নি, থাকতে হয়ে ছিলো জেল খানার অন্ধকারের ঘরে এই ক্ষত, এই বেদনা, এই শূন্যতা, শুকা বে কবে।
আল্লাহ পাক মরহুম জাহাঙ্গীর ঠাকুর কে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন।
শোকাহত পরিবারকে এই অসীম কষ্ট সহ্য করার তাওফিক দান করুন এবং গ্রামের সকল মানুষ এই সময় চয়ন ঠাকুরের পরিবারের পাশে আছে ।
আমরা বিশ্বাস করি একদিন চয়ন ঠাকুরের মুক্তি হবে।
শীঘ্রই তাদের পরিবারের সুখে আলোয় ভরে উঠুক আল্লাহ তায়ালা কাছে এই মুনাজাত করি।

