বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সরাইল থানা পুলিশের উদ্যোগে শাহবাজপুরে মাদকবিরোধী সমাবেশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নতুন সিভিল সার্জন মিজানুর রহমান বিদায়ী সিভিল সার্জন নোমান মিয়া ওএসডি। পাহাড়ের অ‌বিসংবা‌দিত নেত্রী মাম্যাচিংকে চেয়ারম্যান নিযুক্ত করায় বান্দরবানে বিএনপির আনন্দ মিছিল ও গণসংবর্ধনা চট্টগ্রাম লালখান বাজার মতিঝর্নায় পাল্টা মনসা পূথি অনুষ্ঠিত হবে আজ বান্দরবানে ফাটা কাপে চা প‌রি‌বেশন নিয়ে তুমুল কাণ্ড: দিনদুপু‌রে হামলা-ভাঙচুর ও লুট-পা‌টের অভিযোগ বনাশ্রম ও বর্ষাবাসের শুরু: বৌদ্ধ বিহারগুলোতে শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমার নানা আয়োজন। যোগ্য মানুষের মূল্যায়নই নতুন প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করবে: সফল কারাতে কোচ ও জাতীয় রেফারি মিনহাজ খানের জন্য সম্মাননার দাবি, বান্দরবানে ত্রান বিতরন করলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চেয়ারম্যান গাজীপুরে ২ বিদেশি পিস্তল ও ১০ রাউন্ড গুলিসহ দুই অস্ত্রধারী গ্রেফতার। সরাইল প্রবেশপথের বেহাল দশা: ভাঙা রাস্তায় হাঁটু পানি, নিত্য দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার আতঙ্কে সাধারণ মানুষ,

অবহেলিত লংগদুর প্রত্যাশা, দীপেন দেওয়ানই হোক বিএনপির প্রার্থী

Reporter Name / ০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫

অবহেলিত লংগদুর প্রত্যাশা, দীপেন দেওয়ানই হোক বিএনপির প্রার্থী

বিপ্লব ইসলাম, লংগদু, (রাঙ্গামাটি): রাঙ্গামাটির পার্বত্য জনপদ লংগদু বহু বছরের অবহেলা, অনুন্নয়ন আর বঞ্চনার গল্পে মোড়া এক উপজেলা। কিন্তু এখন সেখানে বদলের হাওয়া। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তৃণমূল থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটার পর্যন্ত এখন এক নামই উচ্চারণ দীপেন দেওয়ান।

অবহেলিত জনপদে নতুন প্রত্যাশা,
দশকের পর দশক ধরে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও যোগাযোগব্যবস্থার ঘাটতিতে পিছিয়ে লংগদু উপজেলা। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবার নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতির বন্যা বয়ে গেলেও বাস্তবে তেমন পরিবর্তন আসে না। এবার তাই ভোটাররা চান এমন একজন প্রতিনিধি, যিনি মাঠের বাস্তব সমস্যা সংসদে তুলে ধরতে পারবেন এবং এনে দিতে পারবেন কাঙ্খিত সুবিধা।

লংগদু উপজেলার তৃণমূল বিএনপি নেতাদের মতে, দীপেন দেওয়ান দীর্ঘদিন ধরে দলের দুঃসময়ে কর্মীদের পাশে থেকেছেন। আন্দোলন সংগ্রামে তাঁর নির্ভীক উপস্থিতি এবং সৎ, সহজ সরল জীবনযাপন তাঁকে জনপ্রিয় করে তুলেছে।

বিএনপির কঠিন সময়ে মাঠে ছিলেন দীপেন দাদা। তিনিই আমাদের ভরসা,বলেন বুলবুল আহমেদ, এক স্থানীয় সাবেক ছাত্রনেতা।

সম্প্রীতির সেতুবন্ধন, লংগদু পার্বত্য এলাকার একটি সংবেদনশীল অঞ্চল এবং উপজেলা। এখানে পাহাড়ি বাঙালির সহাবস্থান ও সম্প্রীতি টিকিয়ে রাখা রাজনৈতিক নেতৃত্বের বড় চ্যালেঞ্জ।

মধ্যবয়সী বিএনপির রাজনৈতিক কর্মী সবুজ মিয়া বলেন,দিপেন দেওয়ান সবসময় সম্প্রীতির পক্ষে। তাঁর নেতৃত্বে পাহাড়ি ও বাঙালি উভয় সম্প্রদায়ই নিরাপদ অনুভব করে।

স্থানীয়রা বলছেন, তিনি এমন একজন নেতা যিনি দলমতের ঊর্ধ্বে থেকে মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন যা লংগদুর বাস্তবতায় বিরল উদাহরণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনায়,
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে দীপেন দেওয়ানকে নিয়ে আলোচনা বেড়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের তরুণ নেতারা পোস্ট দিচ্ছেন, ভিডিও বানাচ্ছেন, এমনকি স্থানীয়ভাবে ভেতরে ভেতরে আলোচনাও চলছে।

ভোটের মাঠে বাস্তব সমীকরণ, রাঙ্গামা‌টি ২৯৯ নং আসনে ভোটের মাঠে প্রভাবশালী দল হিসেবে বিএনপির তৃণমূল নেটওয়ার্ক শক্তিশালী। স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মতে, যদি দীপেন দেওয়ানকে প্রার্থী করা হয়, তবে তিনি পাহাড়ি ও বাঙালি দুই সম্প্রদায়ের মধ্যেই গ্রহণযোগ্য একটি প্রার্থী হিসেবে বিএনপিকে শক্তিশালী অবস্থানে নিতে পারবেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মী বলেন,লংগদুর বাস্তবতায় গ্রহণযোগ্য, স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতাই এখন সময়ের দাবি। দীপেন দেওয়ান ই সেই প্রার্থী হতে পারেন।

সাধারন মানুষ যা বলছে, আমরা উন্নয়ন চাই, কিন্তু এমন একজন চাই যিনি সত্যি আমাদের কথা বলবেন। বললেন, মো. মানিক মিয়া,দোকানদার,মাইনী মূখ, ইউনিয়ন।

লংগদু উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ইমাম হোসেন আরাফাত বলেন,দীপেন দেওয়ান আসলেই যদি মনোনয়ন পান, আমরা সবাই জোড়ালো ভাবে মাঠে কাজ করবো। আমরা আশাবাদী আমাদের দলীয় প্রধান আগামীর স্বপ্নদ্রষ্টা তারেক রহমান এবার ধানের শীষের প্রতীকের দায়িত্ব দীপেন দেওয়ানকেই দিবেন।

তৃণমূলের প্রত্যাশা, লংগদুবাসীর চোখে এখন একটাই প্রতীক দীপেন দেওয়ান।তাঁদের ভাষায়,তিনি শুধু দলের প্রার্থী নন, লংগদুর মানুষের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার প্রতিচ্ছবি।

তৃণমূল কর্মীরা মনে করে, দীপেন দেওয়ানের মতো নিবেদিতপ্রাণ নেতা দলকে শুধু ভোটেই নয়, এলাকার আস্থাও ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

বিশ্লেষণের দৃষ্টিতে,রাঙ্গামা‌টির মতো পার্বত্য অঞ্চলে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা অনেক সময়ই ব্যক্তিকেন্দ্রিক হয়ে পড়ে। কিন্তু লংগদুর প্রেক্ষাপটে এবার জনগণ চাইছে ভিন্ন কিছু,একজন কর্মীর নেতা,যিনি মাঠে ছিলেন, মাঠেই থাকবেন,কর্মীদের মুল্যায়ন করবেন।দীপেন দেওয়ানকে ঘিরে এই প্রত্যাশা কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা নির্ভর করছে বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ওপর।

তবে মাঠের বার্তা স্পষ্ট,লংগদুবাসী পরিবর্তন চায়, আর সেই পরিবর্তনের মুখ হয়ে উঠেছেন দীপেন দেওয়ান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category