শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আশুগঞ্জ সারকারখানা কলেজে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা। ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে ছেলের বউকে ধর্ষণের অভিযোগ। ডিমপাহাড়- টেন্ডুমুখ সড়কে পর্যটকবাহী চাঁদের গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ২ আহত -৫ উদ্ধার অভিযানে ৩৮ বিজিবি। দুর্গম লাংলোক ঝর্ণায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে বিপদে পর্যটক, জীবন বাঁচাতে ছুটে গেল বিজিবি। বান্দরবানে বিদ্যাপীঠ নার্সিং ভর্তি কোচিংয়ের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত। অপ্রতিম হত্যাকান্ডে জড়িত ৩জন আটক আইফোন উদ্ধার। থানচিতে বলিবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: আগুন নিয়ন্ত্রণে ৩৮ বিজিবির তাৎক্ষণিক ও সাহসী পদক্ষেপ। ‎ দীর্ঘ অনিশ্চয়তার অবসান: স্বদেশে ফিরে প্রথমবার বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হাতে বম শিশুদের আবেগঘন মুহূর্ত। পাড়ায় ফিরছে বম পরিবার, খাদ্য-ঘর-জীবিকায় সহায়তা দিচ্ছে সেনাবাহিনী। জুমের ধান কাটায় ব্যস্ত জুমিয়ারা, সামনে নবান্ন উৎসব।

সরাইলে সড়ক নির্মাণ কাজ ফেলে ঠিকাদার উধাও: চরম জনদুর্ভোগ,

Reporter Name / ২৭ Time View
Update : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

সরাইলে সড়ক নির্মাণ কাজ ফেলে ঠিকাদার উধাও: চরম জনদুর্ভোগ,

উপজেলা প্রতিনিধি, সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার মলাইশ ব্রিজ থেকে শাহজাদাপুর সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজ মাঝপথে বন্ধ করে ঠিকাদার চলে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে কাজ বন্ধ থাকায় সড়কটি এখন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে, যা শাহজাদাপুর গ্রামবাসীর জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মলাইশ ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে শাহজাদাপুর পর্যন্ত বিস্তৃত সড়কটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। কাজ শুরুর দিকে চলাচলে কিছুটা সুবিধা থাকলেও বর্তমানে তা মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণ কাজে শুরু থেকেই নিম্নমানের ইট, বালু ও খোয়া ব্যবহার করা হয়েছিল। ঠিকাদার কাজ ফেলে যাওয়ার পর নিয়মিত যানবাহন চলাচলের ফলে রাস্তার খোয়া উঠে গিয়ে এখন শুধু মাটি আর ইটের গুঁড়ো অবশিষ্ট আছে।

বর্তমানে শুকনো মৌসুমে এই রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচল করলে পুরো এলাকা ধুলোবালিতে অন্ধকার হয়ে যায়। এতে পথচারী ও আশপাশের বাসিন্দারা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন। বিশেষ করে কোমলমতি শিশু ও বৃদ্ধরা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছেন। অন্যদিকে, সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তার দুপাশ ভেঙে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে, যা যানবাহন চলাচলের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

শাহজাদাপুর গ্রামের ভুক্তভোগী বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ঠিকাদার কাজ শুরু করে মাঝপথে ফেলে রেখে এখন নিখোঁজ। সরকারের কোটি টাকা খরচ হলেও আমাদের দুর্ভোগ কমেনি, বরং কয়েকগুণ বেড়েছে। আমরা বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ঠিকাদারের কোনো হদিস পাচ্ছি না।”

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই সড়কের নির্মাণ কাজ পুনরায় শুরু করে দ্রুত শেষ করতে হবে। একই সাথে কাজের এই দীর্ঘসূত্রতা এবং ঠিকাদারের গাফিলতির বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত আকুল আবেদন জানিয়েছেন শাহজাদাপুর গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ।

সড়কটি শাহজাদাপুর গ্রামের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় দ্রুত সংস্কার জরুরি। সংশ্লিষ্ট বিভাগ কার্যকর পদক্ষেপ নিলে জনদুর্ভোগ লাঘব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category