বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে ছেলের বউকে ধর্ষণের অভিযোগ। ডিমপাহাড়- টেন্ডুমুখ সড়কে পর্যটকবাহী চাঁদের গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ২ আহত -৫ উদ্ধার অভিযানে ৩৮ বিজিবি। দুর্গম লাংলোক ঝর্ণায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে বিপদে পর্যটক, জীবন বাঁচাতে ছুটে গেল বিজিবি। বান্দরবানে বিদ্যাপীঠ নার্সিং ভর্তি কোচিংয়ের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত। অপ্রতিম হত্যাকান্ডে জড়িত ৩জন আটক আইফোন উদ্ধার। থানচিতে বলিবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: আগুন নিয়ন্ত্রণে ৩৮ বিজিবির তাৎক্ষণিক ও সাহসী পদক্ষেপ। ‎ দীর্ঘ অনিশ্চয়তার অবসান: স্বদেশে ফিরে প্রথমবার বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হাতে বম শিশুদের আবেগঘন মুহূর্ত। পাড়ায় ফিরছে বম পরিবার, খাদ্য-ঘর-জীবিকায় সহায়তা দিচ্ছে সেনাবাহিনী। জুমের ধান কাটায় ব্যস্ত জুমিয়ারা, সামনে নবান্ন উৎসব। দেড় মাইল পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পানি সংগ্রহ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান এলাকাবাসী।

পীরগঞ্জে বিয়ের দাবিতে তরুণীর টানা তিন দিনের অনশন

Reporter Name / ৯২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬

পীরগঞ্জে বিয়ের দাবিতে তরুণীর টানা তিন দিনের অনশন

মোবাশ্বেরুল হাসান, রংপুর: রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের ছোট পাহা৳ড়পুর গ্রামে বিয়ের দাবিতে টানা তিন দিন ধরে অনশনে বসেছেন এক তরুণী। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অনশনকারী তরুণীর নাম মৌসুমি আক্তার সম্পা। তিনি শানেরহাট ইউনিয়নের পার্বতীপুর গ্রামের চান মিয়ার মেয়ে এবং শানেরহাট কেজি ইসলাম অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী তরুণীর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় এক বছর আগে ছোট পাহাড়পুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে রুমান মিয়ার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। প্রথমে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের সম্পর্কের সূচনা হলেও পরে তা প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়।

মৌসুমি আক্তার সম্পা অভিযোগ করে জানান, প্রেমের এক পর্যায়ে বিভিন্ন স্থানে দেখা-সাক্ষাতের মাধ্যমে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সর্বশেষ গত ৩ তারিখ শনিবার আনন্দনগর এলাকায় তাদের শারীরিক সম্পর্ক হয় বলে তিনি দাবি করেন। এরপর বিয়ের প্রসঙ্গ তুললে রুমান মিয়া তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিয়ের দাবিতে ন্যায়বিচার পাওয়ার শেষ আশ্রয় হিসেবে তিনি অভিযুক্ত যুবকের বাড়িতে গিয়ে অনশনে বসেন। অনশনের তৃতীয় দিনে তার কাছ থেকে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া হয় এবং তাকে মারধর করা হয়। ওই মোবাইল ফোনে তাদের প্রেমের সম্পর্কের বিভিন্ন ডকুমেন্ট সংরক্ষিত ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রুমান মিয়ার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের পক্ষ থেকে মা ও চাচি জানান, রুমান মিয়া চাকরির কারণে বাড়িতে নেই এবং মেয়ের কাছে কোনো প্রকার প্রমাণ বা ডকুমেন্ট নেই বলে তারা দাবি করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামের কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছেন। তবে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোড়নের সৃষ্টি হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category